চতুর্থ শ্রেণি – বা.বি.প বার্ষিক পরীক্ষার সাজেশন্স

অধ্যায়-১১ [বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি]

এ অধ্যায়টি সম্পর্কে অল্প কথায় জানতে চেষ্টা করি:

বাংলাদেশ প্রধানত সমভূমি। তবে দেশে কিছু পাহাড় ও উঁচু ভূমি আছে। এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। তবে দেশে তীব্র শীত বা গরম পড়ে না। দেশে অনেক প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও মনোমুগ্ধকর জায়গা আছে। এগুলো আমাদের ঐতিহ্য। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি আমাদের এই দেশ। পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশেই বছরে ছয়টি ঋতুর উপস্থিতি বিদ্যমান।

বিষয়বস্তু: দর্শনীয় পাহাড়ি এলাকা

■ ক. এসো বলি

>> কেন পর্যটকরা বাংলাদেশের পাহাড়ি এলাকায় বেড়াতে আসবেন তা শিক্ষকের সহায়তায় শ্রেণিতে আলোচনা কর।

উত্তর: পর্যটকরা বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশের পাহাড়ি এলাকায় বেড়াতে আসবেন। যেমন—

১. বাংলাদেশের পাহাড়ি এলাকাগুলোতে রয়েছে সবুজ বন, পাহাড় ও লেকে ঘেরা অত্যন্ত সুন্দর জায়গা এবং জনপ্রিয় অবকাশ কেন্দ্র।

২. এখানে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ ও প্রাণী আছে।

৩. বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী; যেমন- চাকমা, মারমা ও অন্যান্যদের আবাসস্থল হলো এসব পাহাড়ি এলাকা।

৪. এছাড়াও রয়েছে ঝুলন্ত ব্রিজ, সুউচ্চ পাহাড়ের চূড়া, পাহাড়ি জলাভূমি, ঝরণা প্রভৃতি।

উল্লিখিত সুন্দর দৃশ্য উপভোগ করার জন্য পর্যটকরা বাংলাদেশের পাহাড়ি এলাকায় বেড়াতে আসবেন।

>> তুমি বেড়ানোর জন্য পাহাড় নাকি সমুদ্রসৈকত বেছে নেবে?

উত্তর: আমি বেড়ানোর জন্য সমুদ্রসৈকত বেছে নেব। কেননা সমুদ্রের সুউচ্চ ঢেউ, বালুকণায় শামুকের হেঁটে বেড়ানো, সবুজ ঝাউবন, জলপ্রপাত, সোনালি বালু, পরিষ্কার পানি, বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ইত্যাদি দেখার জন্য ও অবসর সময় কাটানোর জন্য একটি সুন্দর এবং আকর্ষণীয় স্থান হলো সমুদ্রসৈকত। এছাড়াও সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের অপূর্ব দৃশ্য দেখার জন্য একটি উল্লেখযোগ্য স্থান হলো সমুদ্রসৈকত।

>> এসব স্থানের পরিবেশকে কীভাবে সংরক্ষণ করা যায়?

উত্তর: পর্যটকদের অনুপ্রাণিত করতে আমি এসব এলাকার আকর্ষণীয় ও সুন্দর স্থানের গুরুত্ব সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরব। এছাড়াও উপরিউক্ত এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ রক্ষণাবেক্ষণে আমি অংশগ্রহণ করব। আরও যেসব পদক্ষেপ নেওয়া যায় তা হলো-

১. এসব প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারে আমরা যত্নশীল হব।
২. যেখানে-সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলব না।
৩. প্রকৃতির ক্ষতি হয় এমন কাজ করব না।
৪. বন্যপ্রাণী শিকার করব না।
৫. অপ্রয়োজনে গাছপালা কাটব না।

আরও কিছু করি

>> তোমার পছন্দ অনুযায়ী একটি দর্শনীয় স্থান বেছে নাও এবং কেন তুমি সেখানে যেতে চাও তা লেখ। মনে কর শ্রেণিতে যার লেখা সবচেয়ে সুন্দর হবে সে দর্শনীয় স্থানটি ভ্রমণের সুযোগ পাবে।

উত্তর: অপূর্ব সৌন্দর্যের লীলাভূমি আমাদের এই বাংলাদেশ। এদেশে রয়েছে অনেক দর্শনীয় স্থান। পাহাড়ি এলাকা ব্যতিত অনেক জায়গায় আমি ভ্রমণ করেছি। ভ্রমণের জন্য তাই আমি রাঙামাটি পাহাড়ি এলাকাকে বেছে নিয়েছি। কারণ এখানেই রয়েছে বিখ্যাত ঝুলন্ত সেতু যার কথা আমি অনেকবার বই-পুস্তকে পড়েছি। রাঙামাটি সবুজ পাহাড়, বন আর কৃত্রিম লেকে ঘেরা অপূর্ব সুন্দর জায়গা। এখানকার কাপ্তাই লেকটি মাছ ধরা, ঘুরে বেড়ানো ও গোসল করার জন্য খুবই জনপ্রিয়। চাকমা, মারমা ও অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বাসস্থান রাঙামাটি। এখানে উপজাতীয়দের হাতে বানানো পোশাক ও হাতির দাঁতের গহনা পাওয়া যায়। ছাড়াও এখানে রয়েছে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জাদুঘর। তাই এখনও এ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এ পাহাড়টি আমায় হাতছানি দেয়।

>> সুন্দরবন/কক্সবাজার/কুয়াকাটা এই তিন স্থানের মধ্যে যেকোনো একটি আকর্ষণীয় স্থানকে বেছে নাও। কেন স্থানটি আকর্ষণীয়? পর্যটকদের উৎসাহিত করতে একটি পোস্টার তৈরি কর।

উত্তর: সুন্দরবন/কক্সবাজার/কুয়াকাটা এই তিন স্থানের মধ্যে আমি কক্সবাজারকে বেছে নিলাম। বিভিন্ন কারণে এটি আকর্ষণীয়। যেমন-

১. এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম বালুকাময় সৈকত, যা উপকূল বরাবর ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
২. সাঁতার কাটা আর ঘুরে বেড়ানোর জন্য পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় এলাকা।
৩. বাংলাদেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন কক্সবাজারের দক্ষিণে অবস্থিত।
৪. কক্সবাজারে হিমছড়ি জলপ্রপাত রয়েছে যা পর্যটকদের জন্য আরেকটি আকর্ষণীয় স্থান।

পর্যটকদের উৎসাহিত করতে কক্সবাজারের একটি পোস্টার শিক্ষকের সহায়তায় নিজেরা চেষ্টা কর।

বিষয়বস্তু: বঙ্গোপসাগর

ক. এসো বলি

কেন পর্যটকরা বঙ্গোসাগরের আশপাশে এ সকল স্থানে বেড়াতে আসবেন তা শ্রেণিতে শিক্ষকের সহায়তায় আলোচনা কর।

>> আমরা কীভাবে আকর্ষণীয় স্থানগুলোর পরিবেশ সংরক্ষণ করতে পারি?

উত্তর: বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত। এর আশপাশে রয়েছে সুন্দরবন, কক্সবাজার, কুয়াকাটার মতো আকর্ষণীয় স্থান।

সুন্দরবন: এটি বিশ্বের একটি অনন্য সুন্দর প্রাকৃতিক নিদর্শন। এখানে রয়েছে পৃথিবী বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার। এছাড়াও আছে সুন্দরি বৃক্ষ, গভীর বন, পাখি, সাপ, কুমির ইত্যাদি। এখান থেকে প্রচুর কাঠ, মধু, মোম ও মাছ পাওয়া যায়।

কক্সবাজার: এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্রসৈকত। এ সৈকতে সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখা যায়। এর আরও উল্লেখযোগ্য স্থান হলো- লাবনী সৈকত, হিমছড়ি ও ইনানী বিচ।

কুয়াকাটা: এটি বাংলাদেশের একমাত্র সমুদ্রসৈকত, যেখানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়। এখানে রয়েছে হিন্দু ও বৌদ্ধধর্মের তীর্থস্থান। শীতে এখানে প্রচুর অতিথি পাখি আসে।

উল্লিখিত স্থানগুলোর এসব সুন্দর দৃশ্য পর্যটকদের আকর্ষণ করে। এসব প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য তারা এ স্থানগুলোতে বেড়াতে আসবেন।

আমরা যেভাবে আকর্ষণীয় স্থানগুলোর পরিবেশ সংরক্ষণ করতে পারি তা হলো-

১. প্রকৃতির ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজ করব না।
২. অকারণে গাছ কাটব না।
৩. বন্যপ্রাণী ধ্বংস করব না।
৪. এসব স্থান আমাদের ঐতিহ্য ও গৌরব, তাই এগুলো রক্ষণাবেক্ষণে যত্নশীল হব।
৫. ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলব।
৬. এসব স্থানে উন্নতমানের হোটেল স্থাপন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করব।

৭. এসব এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কাজে আমরা অংশ নেব।
৮. এসব সম্পদের গুরুত্ব সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করব।

ঘ. কাঠামোবদ্ধ উত্তর প্রশ্ন:

১. বাংলাদেশে কয়টি ঋতু? এ দেশের জলবায়ুকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? গ্রীষ্মকালীন জলবায়ু সম্পর্কে চারটি বাক্য লেখ।

উত্তর: বাংলাদেশে ছয়টি ঋতু। এ দেশের জলবায়ুকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। গ্রীষ্মকালীন জলবায়ু সম্পর্কে চারটি বাক্য হলো-

১. মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত গ্রীষ্মকাল।
২. সময় তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়।
৩. বছরের সবচেয়ে উষ্ণ মাস এপ্রিল।
৪. এপ্রিল বা মে মাসে কালবৈশাখী ঝড় হয়।

২. পৃথিবীর সর্ববৃহৎ সমুদ্রসৈকত কোনটি? তা কোথায় অবস্থিত? সেই সমুদ্রসৈকত সম্পর্কে পাঁচটি বাক্য লেখ।

উত্তর: পৃথিবীর সর্ববৃহৎ সমুদ্রসৈকত হলো কক্সবাজার। এটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত। কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত সম্পর্কে পাঁচটি বাক্য হলো—

১. কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত পৃথিবীর বৃহত্তম সমুদ্রসৈকত।
২. সৈকতে সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখতে অপূর্ব সুন্দর। বালুকণা ও সবুজ ঝাউবন দেখতে ভালো লাগে।
৩. কক্সবাজার সৈকতে বসে সমুদ্রের সুউচ্চ ঢেউ, রুপালি
৪. এখানকার লাবণী সৈকত, হিমছড়ি ও ইনানী বিচ অপূর্ব সুন্দর।
৫. হিমছড়ি সবুজ পাহাড়ে ঘেরা এক পাশে সমুদ্র।

৩. বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য কেমন? বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সম্পর্কে তোমার অনুভূতি তিনটি বাক্যে লেখ।

উত্তর: আমাদের প্রিয় বাংলাদেশও খুব সুন্দর। এদেশ অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি।

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সম্পর্কে তিনটি অনুভূতি হলো-

১. এদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের আকৃষ্ট করে। ২. অবসর সময় কাটাবার জন্য কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত উত্তম জায়গা।
৩. সিলেটের চা বাগানের সৌন্দর্যও নয়নাভিরাম।

৪. কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত কোথায় অবস্থিত? এর দৈর্ঘ্য কত? বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চল সম্পর্কে চারটি বাক্য লেখ।

উত্তর: কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত। কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের দৈর্ঘ্য ১২০ কিলোমিটার। পাহাড়ি অঞ্চল সম্পর্কে চারটি বাক্য হলো—

১. দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব দিকে কিছু পাহাড় আছে।
২. দক্ষিণ-পূর্ব দিকের পাহাড়গুলো রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত।
৩. বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু দুইটি পাহাড় বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
৪. পাহাড়ি বনভূমি বাংলাদেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে।

৫. বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড় কোন জেলায় অবস্থিত। এটি কোথাকার একটি সুন্দর স্থান? এ জেলাটি সম্পর্কে তিনটি বাক্য লেখ।

উত্তর: বান্দরবান জেলার অবস্থিত । জেলাটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি অন্যতম সুন্দর স্থান। এ জেলাটি সম্পর্কে তিনটি বাক্য হলো-

১. এখানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাহাড় চূড়া তাজিনডং অবস্থিত।
২। এছাড়া এখানে রয়েছে পাহাড়ি ঝর্ণা, পাহাড়ি জলাভূমি, লেক ও সুন্দর বৌদ্ধমন্দির।
৩. এ বনভূমি বাংলাদেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে।

৬. ভূপ্রকৃতি কী? উঁচু ভূমি কী দিয়ে গঠিত? সুন্দরবন সম্পর্কে তিনটি বাক্য লেখ।

উত্তর: ভূপ্রকৃতি হলো কোনো দেশের ভূমির গঠন ও অবস্থা, বিশেষ করে সে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভূমির উচ্চতার তারতম্য। উঁচু ভূমি পুরাতন পলি দিয়ে গঠিত।

সুন্দরবন সম্পর্কে তিনটি বাক্য হলো-

১. বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের তীরে সুন্দরবন অবস্থিত।
২. এ বন দেশের উপকূলীয় অঞ্চলকে ঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা করে।
৩. ইউনেস্কো ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনকে বিশ্বের একটি অন্যতম ঐতিহ্য বলে স্বীকৃতি দিয়েছে।

৭. বান্দরবান বাংলাদেশের কোন দিকে অবস্থিত? বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাহাড়ের চূড়ার নাম কী? তিনটি বাক্যে বান্দরবান সম্পর্কে ধারণা দাও।

উত্তর: বান্দরবান বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাহাড়ের চূড়ার নাম হলো তাজিনডং। তিনটি বাক্যে বান্দরবান সম্পর্কে ধারণা নিচে দেওয়া হলো-

১. বান্দরবান একটি পাহাড়ি জেলা।
২. এখানে আছে দর্শনীয় চিম্বুক পাহাড়ের চূড়া ও বগা লেক।
৩. বান্দরবানের সারা শহর জুড়ে আছে অসংখ্য বৌদ্ধ মন্দির।

৮. জাফলং কোথায় অবস্থিত? এখানে কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আবাসস্থল রয়েছে? তিনটি বাক্যে জাফলং এলাকার বৈশিষ্ট্য তুলে ধর।

উত্তর: সিলেট বিভাগের উত্তরে হিমালয় পাহাড়ের পাদদেশে জাফলং অবস্থিত। এখানে খাসি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আবাসস্থল রয়েছে।

তিনটি বাক্যে জাফলং এলাকার বৈশিষ্ট্য নিচে তুলে ধরা হলো-

১. জাফলং এলাকায় মারী নদী থেকে বয়ে আসে অনেক পাহাড়ি পাথর।
২. জাফলং-এর স্থানীয় লোকজন এসব পাহাড়ি পাথর সংগ্রহ ও বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
৩. এ এলাকাটি হলো পাহাড়ে ঘেরা এক সবুজ বন যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি।

৯. বাংলাদেশের সমুদ্রসৈকত কোনটি? এ সৈকত সম্পর্কে পাঁচটি বাক্য লেখ।

উত্তর: কক্সবাজার বাংলাদেশের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত। কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত সম্পর্কে পাঁচটি বাক্য হলো-

১. কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত।
২. এ সমুদ্রসৈকত বঙ্গোপসাগরের উপকূল বরাবর ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
৩. সাঁতার কাটা ও ঘুরে বেড়ানোর জন্য এ সমুদ্রসৈকত অত্যন্ত জনপ্রিয়।
৪. এ সমুদ্রসৈকতের পেছনে আছে সবুজে ঘেরা পাহাড়। ৫. কক্সবাজারের দক্ষিণে আছে সেন্টমার্টিন দ্বীপ।

Leave a Comment